দুদিন আগেও ছিলেন সংসদ ভবনের মন্ত্রী কোয়ার্টারে। আর শনিবার সাড়ে ১২টার দিকে এই মন্ত্রীকেই দেখা মিললো ধানক্ষেতে।
সিংড়া উপজেলার চলনবিল অধ্যূষিত রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়নের বাঁশের ব্রিজ সংলগ্ন কৈগ্রাম এলাকায় কৃষকদের ধান কাটেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
এসময় শ্রমিকরা তার ধান কাটা দেখে অবাক হন।
এর আগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনা প্রদান করেন প্রতিমন্ত্রী। মাঠের কাঁদায় নেমে আখের আলী নামে এক কৃষকের জমির ধান কাটা শেষে ডিসি অফিসে মিটিংয়ে যোগ দেন জুনাইদ আহমেদ পলক।
এসময় তিনি বলেন, ‘আগামী তিন মাস দেশের ২২ ভাগ দরিদ্র জনগোষ্ঠি এবং ৩০ ভাগ কর্মহীন মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দিতে হবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের ডাটাবেজ তৈরি করে কিউআর কোড ব্যবহার করা উচিত। ডাটাবেজ তৈরির পর কিউআর কোড ব্যবহার করলে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম সুষ্ঠু করা সম্ভব। একাজে আইসিটি বিভাগ প্রয়োজনীয় সহায়তায় প্রস্তুত।’
জেলা প্রশাসক শাহরিয়াজের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, করেনা ভাইরাস প্রতিরোধ ও ত্রাণ সামগ্রী সমন্বয় জেলা কমিটির সমন্বয়কারী, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্র কুমার চক্রবর্ত্তী, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস. জেলায় সেনাবাহিনীর দায়িত্বে নিয়োজিত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তফা আরিফুর রহমান, পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা, সিভিল সার্জন ডা. কাজী মিজানুর রহমান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সাজেদুর রহমান খান ও নাটোর পৌর মেয়র উমা চৌধুরী জলি।